সুপ্রিম কোর্টের রায় মিলবে অনলাইনে : প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ সুপিম কোর্টের সকল রায় ও আদেশ অনলাইনে আপলোড করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এরইমধ্যে মামলার ই-ফাইলিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ওয়েবসাইটে লিখিত ইংরেজি ভাষার রায় অ্যাপসের মাধ্যমে বাংলায় পাঠ করার সুযোগ লাভ করছেন বিচারপ্রার্থীরা। বিচারকেরাও বাংলায় রায় লেখা শুরু করেছেন। এভাবেই স্মার্ট বিচার বিভাগ বস্তাবায়য়নে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধামন্ত্রী শেখা হাসিনা।
শনিবার (ফেব্রুয়ারি ২৪) সকালে ‘দক্ষিণ এশিয়ার একবিংশ শতাব্দীর সাংবিধানিক আদালত: ভারত-বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের সপাপনীতে প্রধান অতিথির ববক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেছেন, বিচার বিভাগ ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টে অনলাইন কজ লিস্ট, অধস্তন আদালতের জন্য অনলাইন বেইল কনফারমেশন কার্যক্রম চালু করেছে সরকার। ফলে সাধাররণ বিচারপ্রার্থীরা এখন তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আদালতের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সেবা গ্রহণ করতে পারে। অধস্তন বিচারালয়ের বিচারকরাও তাদের রায় সরাসারি অনলাইনে আপলোড করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এখন বিচার ব্যবস্থা অনেক ফাস্ট হয়েছে। মামলা জট কমেছে। মানুষ দ্রুত বিচার পাচ্ছে। ডিজিটাল থেকে বিচার বিভাগকে আমরা স্মার্ট করার চেষ্টা করছি।
শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি চাই, আমার দেশের মানুষ ন্যায়বিচার পাবে। আমাদের মতো যেন বিচারহীনতায় তাদের কষ্ট পেতে না হয়। তারা যেন ন্যায়বিচার পায় এবং দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং অর্থনৈতিক-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার সুনিশ্চিত হয়। বাংলাদেশ যেন এগিয়ে চলে এবং ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব যেন চিরস্থায়ী হয়।
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ভারতের প্রধান বিচারপতি ড. ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম প্রমুখ।
উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিরা, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিরা, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ও কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিরাণ, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা, সংসদ সদস্য ও বিজ্ঞ আইনজীবীরা।







